শুক্রবার, অক্টোবর ৯, ২০২৬
No menu items!
spot_img

মা ইলিশ রক্ষায় নিষেধাজ্ঞার প্রথম রাতেই ৩ জনের কারাদণ্ড

পটুয়াখালীর দশমিনায় মা ইলিশ রক্ষায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা প্রথম দিন রাতেই তিনজনকে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একইসঙ্গে প্রত্যেককে ৫০ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে তিনটি হাতটানা ‘মইয়া জাল’ জব্দ করা হয়।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) রাত ২টার দিকে উপজেলার চরহাদী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। পরে উপজেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের বিরুদ্ধে এ দণ্ডাদেশ দেন। জব্দ করা তিনটি মইয়া জাল পরে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাঁশবাড়িয়া গ্রামের মৃত আ. রহিম হাওলাদারের ছেলে হাবিব হাওলাদার (৫৫), মৃত কাঞ্চন আলীর ছেলে মাহাবুব (৫২) ও মৃত আহাম্মদ হাওলাদারের ছেলে খাকন হাওলাদার (৪৫)।

তবে দণ্ডপ্রাপ্ত তিনজন ইলিশ শিকার করছিলেন না বলে জানা গেছে। তারা হাতটানা তিনটি ‘মইয়া জাল’ নিয়ে ট্রলারে করে তেঁতুলিয়া নদী পাড়ি দিয়ে চরহাদী এলাকায় নদীর পাড়ে চিংড়ি মাছ ধরতে যাচ্ছিলেন।

অভিযান পরিচালনাকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও দশমিনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদ হাসান মৃধা বলেন, সরকারি নিষেধাজ্ঞার সময়ে নদীতে কোনো ধরনের মাছ ধরা, বহন, পরিবহন, ক্রয়-বিক্রয় ও মজুত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। দণ্ডপ্রাপ্তরা নদীতে মাছ ধরার সরঞ্জামসহ অবস্থান করায় তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, মা ইলিশ রক্ষায় নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে দশমিনা উপজেলার নদ-নদীতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কেউ নদীতে মাছ ধরার চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপজেলা মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ইলিশের প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় চলতি বছর ৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত নদ-নদীতে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরা বন্ধ থাকবে। নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে উপজেলা প্রশাসন, মৎস্য বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular