রবিবার, আগস্ট ২, ২০২৬
No menu items!
spot_img

শিশু শিক্ষার্থীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে মাদরাসা শিক্ষক গ্রেপ্তার

বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলায় ১২ বছর বয়সী এক আবাসিক শিশু শিক্ষার্থীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় এক মাদরাসা শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

দীর্ঘ সাড়ে তিন মাস আত্মগোপনে থাকার পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযুক্তকে তার নিজ বাড়ি থেকে আটক করা হয়।

গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষক মো. মাসুম বিল্লাহ (২৬) নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলার চক হিয়াতপুর গ্রামের শাহাদাত হোসেনের ছেলে। তিনি বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার আল ইকরা দারুল উলুম নূরানী ও হাফিজিয়া মাদরাসায় সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ মার্চ দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে মাদরাসার হিফজ বিভাগের ১২ বছর বয়সী এক আবাসিক শিক্ষার্থীকে ঘুম থেকে ডেকে পর্দার আড়ালে নিয়ে যান অভিযুক্ত শিক্ষক। সেখানে তিনি শিশুটিকে যৌন নির্যাতন করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনার পর ভুক্তভোগী শিশুটি মানসিকভাবে ভেঙে পড়লে পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি জানতে পারেন। পরে শিশুটির বাবা বাদী হয়ে গত ১১ এপ্রিল বাবুগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলা গ্রহণের পর পুলিশ ভুক্তভোগী শিশুটিকে প্রয়োজনীয় ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। তবে মামলা হওয়ার পর থেকেই অভিযুক্ত শিক্ষক আত্মগোপনে চলে যান।

বাবুগঞ্জ থানা পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিনের অভিযানের একপর্যায়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ৩১ জুলাই নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলার নিজ বাড়ি থেকে অভিযুক্ত মাসুম বিল্লাহকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর তাকে বাবুগঞ্জ থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। শনিবার (১ আগস্ট) প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বাবুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, শিশু শিক্ষার্থীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকা অভিযুক্ত মাদরাসা শিক্ষক মো. মাসুম বিল্লাহকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular