শুক্রবার, আগস্ট ৭, ২০২৬
No menu items!
spot_img

জুলাই অভ্যুত্থান দিবসের অনুষ্ঠানে ফাঁকা মিলনায়তন! বিতর্কে মেহেন্দিগঞ্জ আর.সি. কলেজ

বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জের সরকারি পাতারহাট আর.সি. কলেজে জুলাই অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলকে ঘিরে শুরু হয়েছে বিতর্ক। অনুষ্ঠানের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর কলেজটির আয়োজন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই।

ভিডিওতে দেখা যায়, মঞ্চে কয়েকজন শিক্ষক উপস্থিত থাকলেও শ্রোতাদের জন্য রাখা অধিকাংশ আসনই ফাঁকা। মিলনায়তনে প্রায় ২০ থেকে ৩০টি টেবিল থাকলেও সেগুলোতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি প্রায় ছিল না; শ্রোতার আসনে কয়েকজন কর্মচারীকে বসে থাকতে দেখা যায়।

বুধবার (৫ আগস্ট) জুলাই অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে কলেজ মিলনায়তনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর সমালোচকদের প্রশ্ন—রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ একটি দিবসের অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা গেল না কেন? একই সঙ্গে শিক্ষকদের উপস্থিতিও তুলনামূলক কম দেখা যাওয়ায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি বিদ্যুৎ সিং গণমাধ্যমকে বলেন, আর.সি. কলেজ উপজেলার অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক উদাসীনতায় প্রতিষ্ঠানটি তার সুনাম হারাচ্ছে। তার দাবি, জুলাই অভ্যুত্থান দিবসের মতো গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীদের অনুপস্থিতিই সেই বাস্তবতার প্রতিফলন।

এদিকে ভিডিওটি নজরে এসেছে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবু তাহের মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলামের। তিনি বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এমন দৃশ্য দুঃখজনক এবং শিষ্টাচারবহির্ভূত। বিষয়টি নিয়ে তিনি তাঁর এখতিয়ারের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের আঞ্চলিক পরিচালককে অবহিত করবেন বলে জানান।

অন্যদিকে কলেজ কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি পুরো অনুষ্ঠানের চিত্র তুলে ধরে না। তাদের ভাষ্য, বর্তমানে উচ্চমাধ্যমিকসহ বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষা চলায় নিয়মিত পাঠদান বন্ধ ছিল। কর্মসূচির বিষয়ে অনলাইনে প্রচার করা হয়েছিল এবং বৈরী আবহাওয়ার কারণে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি প্রত্যাশার তুলনায় কম ছিল।

কলেজের শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক আবদুল হালিম বলেন, ভিডিওটি অনুষ্ঠান শুরুর দিকের। পরে আরও শিক্ষার্থী অনুষ্ঠানে যোগ দেন এবং অধিকাংশ শিক্ষকও উপস্থিত ছিলেন।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular