শনিবার, অক্টোবর ৩১, ২০২৬
No menu items!
spot_img

কলাপাড়ায় সাগরে অবৈধভাবে অবৈধ ট্রলিং বোটসহ প্রায় ২.৫ কোটি টাকার মালামাল জব্দ

কলাপাড়ার মহিপুরে সমুদ্র ও নদীতে অবৈধভাবে মাছ শিকারের অভিযোগে ৩টি অবৈধ ফিশিং ট্রলিং বোট ও মাছ ধরার বিভিন্ন সরঞ্জামসহ প্রায় ২ কোটি ৪৯ লাখ টাকার মালামাল জব্দ করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় সামুদ্রিক মৎস্য আইন, ২০২০-এর ২৮/৪২ ধারায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।

গত ২৯ অক্টোবর মহিপুর থানাধীন আলীপুর খালের মোহনা ও মেঘনা খেয়াঘাট এলাকায় সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা, কোস্ট গার্ড এবং মহিপুর থানা পুলিশের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ দল এই অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে জব্দকৃত মালামালের মধ্যে রয়েছে প্রায় ২.৪০ কোটি টাকার ৩টি অবৈধ ফিশিং ট্রলিং বোটসহ প্রায় ৯ লাখ টাকার মাছ শিকারের বিভিন্ন ধরনের সরঞ্জাম ।

অভিযান শেষে জব্দকৃত ট্রলার ও মাছ ধরার সরঞ্জামাদি মহিপুর থানা পুলিশের হেফাজতে বুঝিয়ে দেওয়া হয় এবং সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. জহিরুন্নবী বাদী হয়ে মহিপুর থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলার এজাহারভুক্ত আসামিরা হলেন নোয়াখালীর চরজব্বারের মো. মাকসুদ (৪২), লক্ষ্মীপুরের রামগতির মো. ফরহাদ বেপারী (৩৫), নোয়াখালীর চরজব্বারের মো. বাবুল মাল, পটুয়াখালীর মহিপুরের মো. শফিকুল ইসলাম (৪৬) এবং বরিশাল বাকেরগঞ্জের বিমল দাস (৪০)। এদের মধ্যে তিনজন গ্রেপ্তার করা হলেও দুজন পলাতক রয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে সামুদ্রিক মৎস্য আইন অমান্য করে সাগরে অবৈধভাবে ট্রলিং ফিশিং বোটের মাধ্যমে মাছ শিকার করে আসছিলেন এবং এ ঘটনায় আইনানুগ প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।
কলাপাড়া সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. জহিরুন্নবী জানান, মৎস্য সম্পদ রক্ষায় করণীয় পদক্ষেপগুলো গ্রহন করা হচ্ছে। সাগরে অবৈধভাবে ট্রলিং বোটের মাছ শিকারের কারণে অনেক প্রজাতির ছোট মাছ ধ্বংস হয়ে যাওয়ার ফলে মৎস্য উৎপাদন কমে যাচ্ছে। তাই এ ধরনের ট্রলিং বোটের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা অব্যাহত থাকবে।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular