শনিবার, অক্টোবর ২৪, ২০২৬
No menu items!
spot_img

মা ইলিশ রক্ষা অভিযানে বৈঠা দিয়ে পুলিশের ওপর হামলা

পটুয়াখালীর গলাচিপায় মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে গিয়ে জেলেদের হামলায় এক পুলিশ কনস্টেবলসহ দুজন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বুড়াগৌরাঙ্গ নদীর কালিরচর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন, গলাচিপা থানার পুলিশ কনস্টেবল মো. জসিম ও স্পিডবোটের চালক মো. শাহজালাল।

মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, মা ইলিশ সংরক্ষণে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বুড়াগৌরাঙ্গ নদীতে অবৈধভাবে ইলিশ শিকারের খবর পেয়ে শুক্রবার বিকেলে অভিযান চালায় মৎস্য বিভাগের একটি দল। অভিযানে মৎস্য বিভাগের সদস্যদের পাশাপাশি পুলিশ সদস্যরাও অংশ নেন। তারা স্পিডবোট নিয়ে নদীতে মাছ শিকারিদের একটি ট্রলারকে ধাওয়া করেন। একপর্যায়ে ট্রলারটির কাছাকাছি পৌঁছালে জেলেরা বৈঠা ও লাঠিসোঁটা নিয়ে অভিযানকারী দলের ওপর হামলা চালান। এতে স্পিডবোটের চালক শাহজালাল ও পুলিশ কনস্টেবল জসিম আহত হন।

অভিযানে অংশ নেওয়া মৎস্য বিভাগের সদস্য সুধাংশু জানান, ঘটনার সময় নদীতে বেশ কয়েকটি ট্রলারে ইলিশ শিকার করা হচ্ছিল। এর মধ্যে একটি ট্রলারকে প্রায় ১০ মিনিট ধরে ধাওয়া করে সেটির কাছাকাছি পৌঁছায় অভিযানকারী দল। এ সময় ট্রলার থেকে বৈঠা দিয়ে স্পিডবোটের চালককে আঘাত করা হয়। চালককে রক্ষা করতে পুলিশ কনস্টেবল জসিম এগিয়ে গেলে তাকেও আঘাত করা হয়। এতে তার হাত কেটে রক্তাক্ত হয়।

তিনি আরও জানান, জেলেরা দ্রুতগতির ডাবল ইঞ্জিনচালিত ট্রলার নিয়ে পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে গলাচিপা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা ভিক্টর বাইন বলেন, বুড়াগৌরাঙ্গ নদীতে একটি ট্রলারে ১০-১২ জন জেলে অবৈধভাবে ইলিশ শিকার করছিলেন। তাদের আটক করতে গেলে অভিযানে ব্যবহৃত স্পিডবোটে হামলার ঘটনা ঘটে। এতে একজন পুলিশ সদস্য আহত হন।

তিনি বলেন, ‘আমি ওই স্পিডবোটে ছিলাম না। আমার স্টাফদের কাছ থেকে ঘটনাটি শুনেছি।’ এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার বা শনাক্ত করা যায়নি বলেও জানান তিনি।

গলাচিপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular