মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
No menu items!
spot_img

পটুয়াখালীতে পর পর ৪ ককটেল বিস্ফোরণ

পটুয়াখালীর বাউফল পৌর শহরের চারটি স্থানে পরপর চারটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে শহরজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাত সোয়া ৯টায় পৌর শহরের পাবলিক মাঠ, কুন্ডপট্টী, গোলাবাড়ী ও উপজেলা পরিষদের সামনের এলাকায় এসব বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় এক মিনিটের ব্যবধানে পৌর শহরের বিভিন্ন স্থান থেকে পরপর চারটি বিকট শব্দ শোনা যায়। এতে স্থানীয় ব্যবসায়ী, পথচারী ও বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে বাউফল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলগুলো পরিদর্শন করে।

স্থানীয় ব্যবসায়ী আবু সায়েম বলেন, আমি দোকানে কাজ করছিলাম। হঠাৎ শব্দ শুনে ভয় পেয়ে দোকান থেকে বাইরে বের হই। কোথা থেকে শব্দগুলো এলো, তাও বুঝে উঠতে পারিনি তখন।

স্থানীয়দের কেউ কেউ ধারণা করছেন, শহরে আতঙ্ক সৃষ্টি করতেই পরিকল্পিতভাবে বিস্ফোরণগুলো ঘটানো হয়ে থাকতে পারে। তবে কারা এবং কী উদ্দেশ্যে এসব বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এদিকে একই দিন বিকেলে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক সহকারী পুলিশ সুপার রিয়াজ হোসেন খানের বাউফলে আগমন উপলক্ষে পৌর শহরের ১ নম্বর ওয়ার্ডে একটি জনসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে স্থানীয়দের পক্ষ থেকে আসন্ন পৌর নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে রিয়াজ হোসেন খানের নাম ঘোষণা করা হয়। পরে তার নেতৃত্বে একটি মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা বের করা হয়।

স্থানীয় সূত্র জানায়, সন্ধ্যা ৬টার দিকে ওই শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়াকে কেন্দ্র করে কার্তিক ও রুবেল নামে দুই ব্যক্তির ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। হামলাকারীরা তাদের নিষিদ্ধ সংগঠন যুবলীগ বা ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ করেন। তবে হামলার শিকার দুই ব্যক্তির দাবি, তারা কখনো যুবলীগ বা ছাত্রলীগের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না।

স্থানীয়দের একটি অংশের ধারণা, বিকেলে অনুষ্ঠিত জনসমাবেশ ও পৌর নির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট উত্তেজনার জেরেই রাতের বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।

বাউফল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, বিস্ফোরণের খবর পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পৌর শহরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। মারধরের ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শহরের সার্বিক পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular